চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) চাঁদা দাবি ও দোকান হস্তান্তর নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে বিরোধের জেরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজন শিক্ষার্থী আহত হন, যাদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পর এক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও প্রশাসনের কেউ না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনের একটি দোকানের আগের চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে কিছু শিক্ষার্থী নতুনভাবে তা ভাড়া নেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওই দোকানটি দখল নিতে এবং চাঁদা আদায়ের জন্য স্থানীয় কয়েকজন লোক যাদের নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের কর্মকর্তা বাবুল তাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে শুরু করেন।
২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান বলেন, ‘স্টেশনের একটি দোকান আমাদের কিছু জুনিয়র ভাড়া নেয়ার পর বাবুল নামে একজন কর্মকর্তা তার লোকজন নিয়ে এসে চাঁদা দাবি করেন এবং দোকান দখলের চেষ্টা করেন। শিক্ষার্থীরা তাতে রাজি না হলে আমাদের ওপর হামলা করা হয়।’
আরেক শিক্ষার্থী ইমাম হাসান বলেন, ‘ঘটনার এত সময় পেরিয়ে গেলেও প্রশাসনের কেউ আসেনি। যেখানে আমাদের নিরাপত্তা নেই সেখানে পড়াশোনা করা কষ্টকর। আমরা নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা চাই।’
আহতদের মধ্যে দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
হামলার প্রায় এক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কেউ ঘটনাস্থলে না যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।
ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।