রাজধানীর কারওয়ানবাজার এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বির। তার মৃত্যুতে স্ত্রী ও তিন সন্তান চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে তার পরিবার।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে নিহতের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম তেজগাঁও থানায় ৪–৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
গণমাধ্যমকে সুরাইয়া বেগম বলেন, সন্ধ্যায় মুছাব্বির তাকে একটি কফি বানিয়ে দিতে বলেন এবং নামাজ পড়ে বাইরে যাওয়ার কথা জানান। “ওটাই ছিল তার সঙ্গে আমার শেষ কথা। তিনি বাইরে গেলে প্রয়োজন ছাড়া বাসায় ফোন দিতেন না,” বলেন তিনি।
হত্যার বিচার দাবি করে তিনি বলেন, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। ফুটেজ পর্যালোচনা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
সুরাইয়া বেগম বলেন, এ ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে, এখনও ঘটছে। সঠিক তদন্ত না হলে ভবিষ্যতেও ঘটতেই থাকবে। “তাহলে আমার মতো আরও অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে যাবে,” যোগ করেন তিনি।
স্বামীর হত্যার পেছনে কী কারণ থাকতে পারে, সে বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান সুরাইয়া। তিনি বলেন, প্রায় ২০ বছর ধরে পানির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন মুছাব্বির। শুরুতে নিজে সরাসরি ব্যবসা দেখাশোনা করলেও রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর অন্যদের দিয়ে তা পরিচালনা করতেন। ব্যবসা সংক্রান্ত কোনো বিরোধ ছিল না বলেও জানান তিনি।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে কারওয়ানবাজারের স্টার কাবাবের পেছনের একটি গলিতে দুর্বৃত্তরা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করে। সিসিটিভি ফুটেজে পুরো হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য ধারণ হয়েছে বলে জানা গেছে।