রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মুলতবি কমিশন সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের জানান-আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে থাকছে না ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার। তবে ‘না’ ভোটের বিধান ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ২০২৫ এর খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইভিএম প্রকল্প বাতিল করা হয়েছে। না’ ভোটের বিধান ফিরিয়ে আনা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন বিধিমালা অনুযায়ী কোনো আসনে একজন প্রার্থী থাকলেও তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করা হবে না; বরং তাকে ‘না’ ভোটের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। যদি ‘না’ ভোট বেশি হয়, তাহলে ওই আসনে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দুইজন প্রার্থী সমপরিমাণ ভোট পেলে লটারি নয়, পুনরায় নির্বাচন হবে বলে জানান তিনি।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, হলফনামায় দেয়া তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে নির্বাচিত হওয়ার পরেও পাঁচ বছর মেয়াদ পর্যন্ত কমিশন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে। এমন কী সদস্য পদ বাতিলও করতে পারবে ইসি।ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান নিতে পারবে প্রার্থীরা। তবে সেটা হতে হবে ব্যাংকের মাধ্যমে।
জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলেও দলীয় প্রতীকে প্রার্থীদের ভোট করতে হবে বলে জানান তিনি।
নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা ৮৪টি নতুন দলের মধ্যে ২২টি দল বিবেচিত হয়েছে। এসব দলের মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাছাই চলবে বলে জানান সানাউল্লাহ। ৮৩টি সংসদীয় আসনে সীমানা নির্ধারণে নির্বাচন কমিশন আপত্তি পেয়েছে বলে জানান তিনি।